Headline
কর্মসংস্থান ব্যাংক অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ইকবাল, সম্পাদক জাহাঙ্গীর উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিই সরকারের মূল লক্ষ্য: অর্থমন্ত্রী সার্ক জার্নালিস্ট ফোরামের প্রতিনিধি দলের সাথে নেপালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূতের সাথে মতবিনিময় রায়পুরায় বালু থেকে মূল্যবান খনিজ পৃথকীকরণের দাবি, উদ্ভাবন পরিদর্শনে এমপি কাঠমান্ডুতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা সাংবাদিকতা সম্মেলন: যোগ দিচ্ছেন বাংলাদেশের আট সাংবাদিক আইজেসি গ্লোবাল মিডিয়া গ্রুপ ও সার্ক জার্নালিস্ট ফোরামের মধ্যে বৈশ্বিক সাংবাদিকতা সহযোগিতা জোরদারে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর কর্মসংস্থান ব্যাংকের সিলেট বিভাগীয় ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জে কর্মসংস্থান ব্যাংকের ২৮৯তম টংগিবাড়ী শাখার উদ্বোধন কর্মীদের প্রাণচাঞ্চল্যে জমে উঠল ফেন্সি লিমিটেডের আয়োজন একশ’র বেশি হ্রদ যে উদ্যানে
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

রায়পুরায় বালু থেকে মূল্যবান খনিজ পৃথকীকরণের দাবি, উদ্ভাবন পরিদর্শনে এমপি

প্রতিনিধি : / ১৩৭ Time View
প্রকাশকাল : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬

নরসিংদীর রায়পুরায় সাধারণ বালু থেকে মূল্যবান ধাতব ও ভারী খনিজ কণা পৃথকীকরণের একটি সাশ্রয়ী পদ্ধতি উদ্ভাবনের দাবি করেছেন স্থানীয় উদ্ভাবক আবুল কালাম। তাঁর উদ্ভাবিত পদ্ধতি সম্প্রতি পরিদর্শন করেছেন নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল।

রায়পুরা উপজেলার চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নের বাসিন্দা আবুল কালাম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের বালু নিয়ে গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আসছেন। তাঁর দাবি, নিজস্ব উদ্যোগে তৈরি পদ্ধতির মাধ্যমে নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলের নির্দিষ্ট ধরনের বালু থেকে লোহা, ম্যাগনেটাইট, ইলমেনাইট, টাইটানিয়ামসমৃদ্ধ খনিজ, জিরকনসহ বিভিন্ন ভারী খনিজ কণা পৃথক করা সম্ভব হতে পারে।
উদ্ভাবক আবুল কালাম জানান, তাঁর পদ্ধতিতে সহজলভ্য উপকরণ ব্যবহার করে চৌম্বকীয় ও ঘনত্বভিত্তিক পৃথকীকরণ প্রক্রিয়া প্রয়োগ করা হয়। ফলে প্রচলিত কিছু পদ্ধতির তুলনায় এটি কম ব্যয়ে এবং তুলনামূলকভাবে পরিবেশবান্ধব উপায়ে পরিচালনা করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

সংশ্লিষ্ট গবেষণায় বাংলাদেশের উপকূলীয় ও নদী অববাহিকার বিভিন্ন বালুতে ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, রুটাইল, জিরকন ও গারনেটের মতো ভারী খনিজের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে। এসব খনিজ শিল্প, সিরামিক, রং, ধাতু উৎপাদনসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর খাতে গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

স্থানীয়দের মতে, আবুল কালামের উদ্ভাবিত পদ্ধতিটি বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করা গেলে স্থানীয় পর্যায়ে বালু থেকে মূল্যবান খনিজ আহরণের সম্ভাবনা সম্পর্কে নতুন ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

তবে উদ্ভাবকের দাবি এখনো বৈজ্ঞানিকভাবে চূড়ান্তভাবে যাচাই করা হয়নি। তাঁর পদ্ধতির কার্যকারিতা, কোন ধরনের বালু থেকে কী পরিমাণ ও কী ধরনের খনিজ পৃথক করা সম্ভব, পাশাপাশি এর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও পরিবেশগত প্রভাব- এসব বিষয়ে পরীক্ষাগারভিত্তিক পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আবুল কালামের উদ্ভাবিত পদ্ধতি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় কার্যকর প্রমাণিত হলে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে বালু থেকে মূল্যবান খনিজ পৃথকীকরণের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হতে পারে।

একই সঙ্গে গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি খাতের সহযোগিতা পেলে উদ্ভাবনটির আরও কারিগরি উন্নয়ন ও বাস্তব প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এখন প্রয়োজন উদ্ভাবনটির বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন এবং সম্ভাব্যতা যাচাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category